পোস্টগুলি

ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ থেকে পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে

নেত্রকোনা জেলার কবি হেলাল হাফিজ: আধুনিক বাংলা কবিতার দ্রোহ ও প্রেমের কণ্ঠস্বর

ছবি
  নেত্রকোনা জেলার  কবি হেলাল হাফিজ:  আধুনিক বাংলা কবিতার দ্রোহ ও প্রেমের কণ্ঠস্বর বাংলা কবিতার জগতে এমন কিছু কবি রয়েছেন, যাঁরা তাঁদের শব্দের গভীরতা ও ভাবনার শক্তিতে কালজয়ী হয়ে উঠেছেন। হেলাল হাফিজ তেমনই একজন কবি, যিনি প্রেম, বেদনা, দ্রোহ এবং চেতনার সংমিশ্রণে বাংলা সাহিত্যে এক অনন্য মাত্রা যোগ করেছেন। তাঁর রচিত কবিতা শুধু শব্দের খেলা নয়, বরং তা সময়ের সাক্ষী, আন্দোলনের প্রতিধ্বনি এবং ব্যক্তি ও সমাজের অন্তর্লীন অনুভূতির বহিঃপ্রকাশ।   প্রারম্ভিক জীবন ও সাহিত্য যাত্রা হেলাল হাফিজ ১৯৪৮ সালের ৭ অক্টোবর নেত্রকোনার আটপাড়া উপজেলার বড়তলী গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। ছোটবেলা থেকেই তিনি কবিতার প্রতি অনুরাগী ছিলেন এবং কৈশোর থেকেই কবিতা লেখায় মনোনিবেশ করেন।  হেলাল হাফিজ ১৯৬৫ সালে নেত্রকোণা দত্ত হাইস্কুল থেকে এসএসসি পাস করেন। নবম শ্রেণিতে পড়াকালীন বিদ্যালয়ের দেয়াল পত্রিকায় তার প্রথম কবিতা ছাপা হয়।  ১৯৬৭ সালে তিনি নেত্রকোণা কলেজ থেকে এইচএসসি পাস করেন। তাঁর স্বপ্ন ছিলো ডাক্তার হবার। কিন্তু, কলেজের পাঠ শেষ করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগে ভর্তি হন। ঢাকা বিশ্বব...

ইন্দ্রমোহন রাজবংশী - ঢাকা জেলার কীর্তিমান শিল্পী

ছবি
কথার কাগজ বাংলার সাহিত্য  বাংলাদেশের কীর্তিমানদের জীবনীমূলক গবেষণার ধারাবাহিক প্রতিবেদন জেলা- ঢাকা ব্যক্তির নাম - ইন্দ্রমোহন রাজবংশী লিখেছেন - ফারাহ জেহির   ঢাকার কীর্তিসন্তান ইন্দ্রমোহন রাজবংশী — এক জীবন্ত ইতিহাস বাংলার মাটিতে এমন কিছু মানুষ জন্ম নেন, যাঁরা নিজের অস্তিত্বকে জাতির আত্মার সঙ্গে মিশিয়ে দেন। তাঁরা কেবল শিল্পী নন, একেকজন সময়ের কণ্ঠস্বর। ইন্দ্রমোহন রাজবংশী তেমনই একজন, যিনি লোকসংগীতকে শুধুই সুরের নয়, চেতনার এবং মুক্তির ভাষা করে তুলেছিলেন। তাঁর কণ্ঠে ছিল গ্রামীণ বাংলার ধ্বনি, তাঁর গানে ছিল জাতির জাগরণ, আর তাঁর জীবনে ছিল প্রতিটি প্রান্তিক মানুষের কথা। তিনি ছিলেন ঢাকার কীর্তিসন্তান, কিন্তু তাঁর গানের বাঁশিতে বাজত গোটা বাংলাদেশের প্রাণ। জন্ম ও শিকড় ইন্দ্রমোহন রাজবংশী জন্মেছিলেন ১৯৪৬ সালের ২৬ জানুয়ারি, ঢাকার খিলগাঁও দাশেরকান্দি গ্রামে। তাঁর নামের মধ্যেই ছিল বাঙালিয়ানার গন্ধ, আর আত্মার ভিতরেই ছিল সংগীতের রক্তপ্রবাহ। রাজবংশী পরিবারটি পাঁচ পুরুষ ধরে লোকসংগীতের ধারক ও বাহক—তাঁর পিতা নবীনচন্দ্র রাজবংশী এবং মাতা পূর্ণচন্দ্র শশী দুজনেই ছিলেন সংগীতানুরাগী।...